Chittagong Hill Tracts Courts Case

বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট
হাইকোর্ট বিভাগ

(স্পেশাল অরিজিনাল জুরিসডিকশন)

উপস্থিত :
এ. বি. এম. খায়রুল হক, বিচারপতি
আব্দুল আউয়াল, বিচারপতি

বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড এন্ড সার্ভিসেস ট্রাষ্ট গং – – – দরখাস্তকারী
-বনাম-
সেক্রেটারী, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গং- – – প্রতিবাদীগণ

রায় :
ফেব্রুয়ারী ২৪, ২০০৮ ইং
সংশ্লিষ্ট আইনজীবীঃ
জনাব ইদ্রিছুর রহমান, ড: শাহদীন মালিক, জনাব আমাতুল করিম, জনাব প্রতিকার চাকমা ও জনাব মো: তৌফিকুর ইসলাম, এ্যাডভোকেটবৃন্দ- – – – – দরখাস্তকারীর পক্ষে।
জনাব মো: জাফর ইমাম, সহকারী এটনির্ জেনারেল- – – প্রতিবাদীগণের পক্ষে
রীট পিটিশন নং ৬০৬/২০০৬
রায় :

বিচারপতি জনাব এ. বি. এম. খায়রুল হক : এই রীট্ আবেদনপত্রটি Chittagong Hill-Tracts Regulation (Amendment) Act, 2003 এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০, এর বিধানগুলির কার্যকর করিবার প্রার্থনা করিয়া দায়ের করা হইয়াছে।

২। ইহা একটি জনস্বার্থমূলক রীট্ মোকদ্দমা। রীট্ মোকদ্দমার ১নং দরখাস্তকারী বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড এন্ড সার্ভিসেস ট্রাষ্ট (BLAST) †কাম্পানী আইনের আওতায় রেজিষ্ট্রিকৃত একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। ইহার অন্যান্য কার্যক্রম ছাড়াও বাংলাদেশের জনগণের সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য বিভিন্ন সময় সুপ্রীম কোর্ট সহ বিভিন্ন আদালতে মামলা দায়ের করত: জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় এই প্রতিষ্ঠান সচেষ্ট থাকে।
অপরাপর দরখাস্তকারীগণ বৃহত্তর পার্বত্য চট্রগ্রামের তিন জেলার অধিবাসী।

৩। বর্তমান দরখাস্তে বর্ণণা করা হইয়াছে যে, প্রাক্তন বৃটিশ আমলে পার্বত্য চট্রগ্রাম এলাকা একটি প্রশাসনিক জেলা ছিল এবং ঐ জেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি আলাদা আইন যথা, The Chittagong Hill-Tracts Regulation, 1900 (Regulation 1 of 1900) এর বিধি বিধান অনুসারে মারফৎ জেলাটি পরিচালিত হইত। বাংলাদেশ স্বাধীন হইবার পর উক্ত রেগুলেশন যদিও ১৯৮৯ ইং সনের ১৬নং আইন দ্বারা বাতিল হয় কিন্তু বাতিলের তারিখ বাংলাদেশ গেজেটে ঘোষিত না হওয়ায় উহা এখনও বলবৎ রহিয়াছে। তৎপর ২০০৩ ইং সনে Chittagong Hill-Tracts Regulation (Amendment) Act, 2003 প্রণীত হয়। ইহা ২১-৯-২০০৩ইং তারিখে বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। উক্ত সংশোধনী আইন দ্বারা পার্বত্য চট্রগ্রাম এলাকার বর্তমান ৩টি প্রশাসনিক জেলা, যথা, রাঙ্গামটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় জেলা জজ্ এবং যুগ্ম জেলা জজ্ আদালত স্থাপনের বিধান করা হইয়াছে। তাহা ছাড়া উক্ত ৩টি জিলার প্রতিটিতে ৩টি পৃথক দায়রা বিভাগ (Sessions Division) স্থাপন করত: প্রতি জেলার জেলা জজ্কে দায়রা জজ্ এবং যুগ্ম জেলা জজ্কে সহকারী দায়রা জজ্ হিসেবে দায়িত্ব পালনের বিধান করা হইয়াছে। ২০০৩ইং সনের উক্ত সংশোধনী আইনের ১(২) ধারা মোতাবেক উক্ত সংশোধন সরকার বাংলাদেশ গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা যে তারিখ নির্ধারণ করিবে সেই তারিখ হইতে বলবৎ হইবে বলিয়া বিধান রাখা হইয়াছিল কিন্তু ৩ বৎসরাধিককাল উত্তীর্ণ হইয়া যাইবার পরও উক্ত আইনের বিধান অনুসারে পার্বত্য চট্রগ্রামে উপরে বর্ণিত ৩টি জেলায় জেলা জজ্ আদালত অথবা দায়রা জজ্ আদালত এর কার্যক্রম আরম্ভ না করায় আবেদনকারীগণ উক্ত এলাকার জনগণের পক্ষ হইতে ২৫-৫-২০০৫ইং তারিখে একটি আইনগত নোটিশ প্রতিবাদীগণের বরাবরে প্রেরণ করিয়া পার্বত্য চট্রগ্রাম অঞ্চলের রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান ৩টি জেলায় সংশ্লিষ্ট সংশোধনী আইনের বাস্তবায়ন করিতে কার্যকরী পদক্ষেপ লইবার অনুরোধ জানান (এ্যনেকচার-ই) কিন্তু তাহাতে কোন ফলোদয় না হওয়ায় দরখাস্তকারীগণ অত্র রীট্ পিটিশন দায়ের করিলে অত্র আদালত বাংলাদেশ সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুসারে ২-২-২০০৬ইং তারিখে নিম্নলিখিত রুলটি প্রতিবাদীগণ বরাবরে জারী করে:

“Let a Rule Nisi issue calling upon the Respondents No.1-4 to show cause as to why they should not be directed to given effect to the “The Chittagong Hill Tracts (Amendment) Act 2003” and section 26 of the Nari-o-Shishu Nirjatan Daman Ain 2000 and other laws and or pass such other or further order or orders passed as to this Court may seem fit and proper.
The Rule is made returnable within 6 (six) weeks from date.”

৪। জনাব ইদ্রিছুর রহমান, ড: শাহদীন মালিক, তৎসঙ্গে জনাব আমাতুল করিম, জনাব প্রতিকার চাকমা ও জনাব মো: তৌফিকুল ইসলাম বিজ্ঞ এ্যাডভোকেটবৃন্দ দরখাস্তকারী পক্ষে বক্তব্য উপস্থাপন করেন। অপরদিকে, জনাব জাফর ইমাম, সহকারী আ্যটর্নি জেনারেল, বাংলাদেশ সরকার পক্ষে উপস্থিত থাকিয়া বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

৫। দরখাস্তকারী পক্ষে জনাব ইদ্রিছুর রহমান, বিজ্ঞ এ্যাডভোকেট্ মহোদয় নিবেদন করেন যে, পার্বত্য চট্রগ্রাম বাংলাদেশেরই একটি অংশ এবং ইহা বাংলাদেশ সংবিধানের আওতাভুক্ত। যেহেতু ইহা বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত সেহেতু এই এলাকার জনগণের আইন অনুসারে ন্যায় বিচার পাইবার অধিকার বাংলাদেশ সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত এবং সংরক্ষিত। এই উদ্দেশ্যেই উক্ত এলাকার জনগণের সাংবিধানিক অধিকার সংরক্ষণ করিবার উদ্দেশ্যে সরকার ২০০৩ইং সনে The Chittagong Hill-Tracts Regulation 1900 সংশোধন করত: ২০০৩ সনের ৩৮ নম্বর আইনটি প্রণয়ন করে কিন্তুু আজতক সেই প্রণীত আইন বলবৎ করিবার জন্য বাংলাদেশ গেজেটে কোন প্রজ্ঞাপন প্রকাশিত হয় নাই বিধায় পার্বত্য চট্রগ্রাম অঞ্চলের জেলা গুলির অধিবাসীগণ তাহাদের সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগ করিতে এখনও পর্যন্ত অপারগ রহিয়াছেন। যেহেতু বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের আইনগত অধিকার সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত এবং সেই উদ্দেশ্যেই ৩৮/২০০৩ নম্বর আইনটি প্রণয়ন ও প্রকাশ করা হইয়াছিল কিন্তু সরকার কর্তৃক প্রজ্ঞাপন মারফত বলবৎ না করার কারণে উক্ত এলাকার জনগণ তাহাদের সাংবিধানিক অধিকার হইতে বঞ্চিত রহিযাছে। ইহা সংবিধান ও ন্যায় বিচার উভয়ের পরিপন্থী।

৬। বাংলাদেশ সরকার পক্ষে বিজ্ঞ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মহোদয় উপরোক্ত বক্তব্য অস্বীকার করিতে পারেন নাই।

৭। দরখাস্তকারীর বক্তব্য শ্রবণ এবং দরখাস্তে সংযোজিত কাগজাদি পর্যবেক্ষণ করা হইল। প্রতীয়মান হয় যে, বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে ৩টি জেলা যথা-রাঙ্গামাটি, খাগড়ছড়ি ও বান্দরবান প্রাক্তন পার্বত্য চট্রগ্রাম জেলা এলাকায় অবস্থিত। স্বীকৃত মতেই বাংলাদেশের সবৃত্র ৬১ জেলায় যথারীতি দেওয়ানী ও ফৌজদারী আদালত কার্যকর থাকিলেও উপরোক্ত ৩টি জেলার প্রশাসন ব্যবস্থা এযাবতকাল Chittagong Hill-Tracts Regulation 1900 অনুসারে পরিচালিত হইতেছে এবং তথায় প্রথমত: দেওয়ানী আদালতের অবস্থান নাই, দ্বিতীয়ত: ফৌজদারী বিচারকার্যের জন্য ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত ব্যতীত কোন দায়রা আদালতও নাই। বাংলাদেশের অন্যান্য সকল এলাকার ন্যায় উক্ত তিন জেলার অধিবাসীদের সমপর্যায়ে আনিবার লক্ষ্যে সরকার The Chittagong Hill-Tracts Regulation (Amendment) Act 2003, (২০০৩ সনের ৩৮ নং আইন) প্রণয়ন করেন। উক্ত আইন বাংলাদেশ গেজেটে অতিরিক্ত সংখ্যায় ২১-৯-২০০৩ইং তারিখে প্রকাশিত হয়। উক্ত আইনের মাধ্যমে Regulation এর বিভিন্ন ধারায় সংশোধন আনয়ন করা হয়। ধারা ২তে Clause (b) পরে হিল ট্রাক্ট রেগুলেশন ১৯০০ এর সংজ্ঞায় বর্ণিত এ ও বি সংখ্যার পরে Clause (c) এবং (d) নিম্নলিখিতবাবে সংযোজন করা হয়:
“(C) `District Judge’ means the District Judge appointed by the Government in consultation with the Supreme Court of Bangladesh;
(d) `Joint District Judge’ means the Joint District Judge appointed by the Government in consultation with the Supreme Court of Bangladesh.”

৮। তৎপর অন্যান্য প্রয়োজনীয় সংশোধনী সহ ৪ ধারা নিম্নলিখিতভাবে সংশোধন করা হয়:
(ক) sub-section (1) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ sub-section (1) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
“The Rangamati, Khagrachory and Bandarban districts of the Chittagong Hill Tracts shall constitute three separate Sessions Divisions and the concerned District Judge shall be the sessions judge of the respective sessions division and the Joint District Judge shall be the Assistant Sessions Judge.”
(খ) sub-section (2) এর –
(আ) প্রথম লাইনের ÒAs” শব্দের পরিবর্তে “The” শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে এবং “the Commissioner” শব্দগুলি বিলুপ্ত হইবে; এবং (আ) যষ্ট লাইনের “Warrant” শব্দটি ও ড্যাস চিহৃটি বিলুপ্ত হইবে;
(গ) sub-section (2) এর পর নিম্নরূপ sub-section (3),(4) এবং (5) সংযোজিত হইবে, যথা:
“(3) The Rangamati, Khagrachory and Bandarban districts of the Chittagong Hill-Tracts shall constitute three separate civil jurisdictions under three District Judge.
(4) The Joint District Judge as a Court of original jurisdiction, shall try all civil cases in accordance with the existing laws, customs and usages of the districts concerned, except the cases arising out of the family laws and other Customary laws of the tribes of the districts of Rangamati, Khagrachory and Bandarban respectively which shall be triable by the Mauza Headmen and Circle Chiefs.
(5) An appeal against the order, judgment and decree of the Joint District Judge shall lie to the District Judge”.

৯। ধারা ১ এর উপ-ধারা ২ অনুসারে সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা সরকার যে তারিখ নিধারণ করিবে সেই তারিখ হইতে উপরোক্ত সংশোধিত আইন বলবৎ হইবে।

১০। The Chittagong Hill-Tracts Regulation (Amendment) Act 2003, সংশ্লিষ্ট আইনের উপরোক্ত ধারা পাঠ করিলে প্রতীয়মান হয় যে, প্রাক্তন পাবর্ত্য চট্রগ্রাম জেলাটিকে তিনটি প্রশাসনিক জেলা যথা-রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় রুপান্তরিত করা হয়। উক্ত তিনটি প্রশাসনিক জেলাগুলিতে ৩টি জেলা জজ্ আদালত পৃথকভাবে দায়রা আদালত (Sessions division) হিসেবে কার্যকর হইবে। প্রতীয়মান হয় যে, উপরোক্ত ৩টি জেলায় বাংলাদেশের অপর ৬১ জেলার অনুরূপ দেওয়ানী ও ফৌজদারী উভয় কার্যক্রমই পরিচালিত হইবে বলিয়া সংশোধিত আইন প্রণীত হয়্ । শুধুমাত্র পরিবার সম্পর্কিত বিধানগুলি পারিবারিক আদালতের পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলিতে অনুসারিত প্রথা (Customary laws) অনুসারে জেলার বিভিন্ন গোত্র (tribes) এর হেডম্যান এবং সার্কেল চীফগণ বিচারকার্য পরিচালনা করিতে পারিবেন।

১১। প্রতীয়মান হয় যে, ২০০০ সনে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০ নামে একটি আইন প্রণয়ন করা হইয়াছিল। উক্ত আইন বাংলাদেশ গেজেটে ১৫-২-২০০০ইং তারিখে প্রকাশিত হইয়াছিল। প্রতীয়মান হয় যে, উপরোক্ত আইনের আওতায় উপরোক্ত ৩টি জেলা ব্যতিরেকে বাংলাদেশের সকল জেলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুন্যাল গঠন করা হইয়াছে। উক্ত ট্রাইব্যুন্যাল সমূহে নারী ও শিশু নির্যাতন মূলক অপরাধ সমূহের বিচার কার্য যথারীতি চলিতেছে। কিন্তু উপরে বর্ণিত রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলাসমূহে উক্ত আইনের অধীনে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুন্যাল এখনও গঠিত হয় নাই।

১২। এই প্রসংগে বিজ্ঞ এ্যাডভোকেট মহোদয়গণ নিবেদন করেন যে, ২০০০ইং সনে নারী ও শিশু নির্যাতন মূলক অপরাধ সমূহ কঠোরভাবে দমন করিবার জন্য নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০, প্রণয়ন করা হইয়াছিল। উক্ত আইনের ২৬ ধারার প্রতি আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ পূর্বক নিবেদন করেন যে, উক্ত আইনের আওতাধীন অপরাধ বিচারের জন্য প্রত্যেক জেলা সদরে একটি করিয়া ট্রাইব্যুন্যাল গঠন করিবার বিধান রহিয়াছে এবং সরকার প্রতিটি জেলায় জেলা ও দায়রা জজ্ গণের মধ্য হইতে উক্ত ট্রাইব্যুন্যালের বিচারক নির্ধারণ করে কিন্তু যেহেতু উপরোক্ত তিনটি জেলায় বর্তমানে কোন জেলা ও দায়রা জজ আদালত কার্যকর নাই সেহেতু উপরোক্ত ৩টি জেলাতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুন্যালও স্থাপন করা হয় নাই। বিজ্ঞ এ্যাডভোকেট মহোদয় নিবেদন করেন যে, উপরোক্ত তিন জেলায় সরকারী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের আওতায় কোন ট্রাইব্যুন্যাল গঠন না করায় উক্ত আইনের ২৬ ধারা ভঙ্গ হইয়াছে।

১৩। এ প্রসংগে বিজ্ঞ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মহোদয় কোন বক্তব্য রাখেন নাই।

১৪। প্রতীয়মান হয় যে, নারী ও শিশু নির্যাতন মূলক অপরাধ কঠোরভাবে দমন করিবার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করত: সরকার বাংলাদেশ এর ৬১টি জেলা সদরে এক বা একাধিক নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুন্যাল স্থাপন করিয়াছে। উক্ত ট্রাইব্যুন্যালগুলি আইন প্রণয়নের সময় ২০০০ সন হইতে কার্যকর হইয়াছিল কিন্তু সরকার উপরোক্ত ৩টি পার্বত্য জেলায় এইরূপ কোন ট্রাইব্যুন্যাল এখন পর্যন্ত গঠন করিতে ব্যর্থ হইয়াছে। যদিও সরকার উপরোক্ত ২০০০ সনের আইন অনুসারে উক্ত তিনটি জেলায়ও ট্রাইব্যুন্যাল স্থাপন করিতে আইনত বাধ্য।

১৫। প্রতীয়মান হয় যে, ২০০০ইং সনের আইনটি বাংলাদেশের সকল এলাকায় প্রযোজ্য এবং বাংলাদেশের সকল এলাকার অধিবাসীগণ নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের আওতায় যথাবিহীত প্রতিকার পাইতে সংবিধান ও আইনের ভাষ্য অনুসারে অধিকারী। উপরোক্ত ৩টি জেলায় বসবাসকারী প্রতিটি নাগরিক অন্যান্য জেলায় বসবাসকারী নাগরিকের মত যথারীতি প্রতিকার পাওয়ার অধিকারী। এমতাবস্থায়, বিজ্ঞ এ্যাডভোকেট মহোদয় কর্তৃক উত্থাপিত যুক্তির সারবর্তা রহিয়াছে বলিয়া আমাদের নিকট প্রতীয়মান হইতেছে। রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান ৩টি জেলায় ২০০০ইং সনের আইন অনুসারে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুন্যাল স্থাপন এবং ইহার মাধ্যমে উক্ত জেলাগুলিতে অবস্থিত নারী ও শিশুগণ যাহাতে ন্যায় বিচার পাইতে পারে তাহা নিশ্চিত করিবার দায়িত্ব এককভাব্ েবাংলাদেশ সরকারের।

১৬। এমতাবস্থায়, বাংলাদেশ সরকার রাঙ্গামটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলাসমূহে Chittagong Hill-Tracts Regulation (Amendment) Act 2003, (২০০৩ সনের ৩৮ নং আইন) এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০ (২০০০ইং সনের ৮নং আইন) এর আওতায় যথাবিহীত কার্যক্রম বাস্তবায়ন করিতে আইনগতভাবে বাধ্য।

১৭। এমতাবস্থায়, সংশ্লিষ্ট প্রতিবাদীগণ-
(১) উপরোক্ত রাঙ্গামটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলাসমূহে Chittagong Hill-Tracts Regulation (Amendment) Act 2003, এর বিধান অনুসারে দেওয়ানী ও ফৌজদারী আদালত স্থাপন করিবেন;
(২) উপরোক্ত ৩টি জেলায় ৩টি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুন্যাল স্থাপন করিবেন।
উপরোক্ত নির্দেশাবলী প্রতিবাদীগণ যতদূর সম্ভব অদ্য হইতে এক বৎসরের মধ্যে বাস্তবায়ন করিবেন।
অতএব, উপরোক্ত মন্তব্য ও নির্দেশনা সহ খরচা ব্যতিরেকে অত্র রুলটি Absolute করা হইল।
বিচারপতি জনাব আব্দুল আউয়াল: আমি একমত ।
সমাপ্ত।

Source : 61 DLR (2009) 104

Forest Rules, 2010

Forest Rules(Please Click Here)

Chittagong Hill Tracts: ECOSOC Rebukes Bangladesh Gov Attempt to Redefine the Word “Indigenous”

Press Release by IJO on ECOSOC Meeting at UN
International Council for the Indigenous Peoples of CHT (ICIP-CHT)
12 Marcil, St. Constant, Quebec J5A 1R9, CANADA.
Phone: 001-450-632-4657 and Email: icip.cht2010@gmail.com

UN ECOSOC rejects Bangladesh Government’s challenge to UNPFII’s mandate to deal with CHT Accord

The General Segment of the United Nations Economic and Social Council (ECOSOC), whose session started on 22nd July, ended yesterday (29th) in Geneva, Switzerland. ECOSOC is the parent body of several subsidiary bodies, including the UN Permanent Forum on Indigenous Issues (UNPFII), and reports to the UN general Assembly.

After intense negotiations over the past three days and even up to the last minute of the agenda, the ECOSOC rejected the GoB’s requests and adopted the UNPFII report. Bangladesh had expressed its concerns over the PFII going beyond its mandate in dealing with the issue of the implementation of the CHT Accord of 1997, on the ground that there were no indigenous peoples in the Chittagong Hill Tracts (CHT). Statements in explanation of its position were made by the GOB, as by others among the fifty-four members of ECOSOC. However, the GoB lacking solidarity from other ECOSOC member-states, accepted to ‘compromise.’

A few of the many concerns raised by the GoB are to be included as ‘noted’; in the nature of a ‘footnote.’ However, ECOSOC, will not delete any paragraphs of the 10th session report, as was pleaded by the GoB. ECOSOC will not distinguish between indigenous and tribal groups, as highlighted by the GoB, or take into account the GoB’s challenge of the jurisdiction of the PFII to deal with the CHT Accord of 1977 on the basis that the ethnic groups of the CHT were not indigenous, and hence outside the purview of the mandate of the PFII.

The UNPFII, in June, had called on the GoB, to undertake a ‘phased withdrawal’ of temporary army camps from the CHT, declare a timeframe for implementation of the peace accord, and establish an independent commission to inquire into ‘human rights violations perpetrated against indigenous peoples’ as per the 1997 CHT Accord. UNPFII further recommended that the UN Department of Peacekeeping Operations (UNPKO) review the military personnel and units, who are being sent on UN missions to make sure no personnel or units are taken from any, that are accused by indigenous Jumma people of violating human rights in the CHT.

Other country responses:

The USA seemed determined to protect the integrity of the UNPFII and this reflected a major shift in its international engagements with regard to indigenous issues under President Obama.

Mexico was the lead facilitator and played a very constructive role in the consensual decision. Bolivia highlighted PFII as the only space for dialogue on IP issues in the UN; France (EU) reaffirmed independent nature of PFII and reiterated that the report be adopted by consensus, albeit with a note, refers to a specific situation and does not set a precedent for ECOSOC to deal with reports of a subsidiary body; Australia supported the role of the PFII as a constructive forum for dialogue; in such complex situations as in the CHT, it stands ready to assist GOB/ and people of the CHT in dialogue; and Morocco welcomed adoption by consensus.

Reportedly, only China, Pakistan and Saudi Arabia, all three countries with the worst human-rights records in Asia, provided some support to the concerns raised by Bangladesh; Even though Russia showed some leaning towards GoB’s stance, they reiterated the importance of the role of indigenous peoples on the international human rights agenda.

FINAL & FULL TEXT ADOPTED BY ECOSOC CAN BE FOUND AT: http://www.unog.ch/unog/website/news_media.nsf/%28httpNewsByYear_en%29/EE007477BCA3B90FC12578DC003B50EE?OpenDocument

Published by ICIP-CHT (International Council for the Indigenous Peoples of CHT)
Media contact:
Prof Mong Sanu: +88 01730086301
Wasfia Nazreen: +88 01675588890

Source: CHT NEWS UPDATE

<span>%d</span> bloggers like this: